জামাতের মধ্যে আধ্যাত্বিক তা'লীম ও দেওয়া হয়
হযরত মাওলানা নেক ছোহবতের নমূনা পেশ করেছেন এমনি এমনি আপন অনিচ্ছা থাকা সত্বেও নেককার হইতে বাধ্য। কিছু নামাজ, রোজা, জিকির, আযকার ইত্যাদিব উপর আমল করবে তার সাথে সাথে নিজের মধ্যে সততা, তাকওয়াও পরহেজগারীর কিছু গুন অর্জনে সচেষ্ট হবে। বাহ্যিক ছুরতের ও পরিবর্তন হবে।
উপরোল্লেখিত অবস্থায় একজন মানুষ এর যথেষ্ট পরিবর্তন হয়েছে। এর চাইতে বেশি আরকি চাই। অতপর ইকরামুল মুসলিমীন তথা অন্যকে নিজ হইতে শ্রেষ্ঠতর মনে করা এবং তার সাথে অল্পেতুষ্টির ন্যয় বিশেষ বিশেষ গুনাবলীর শিক্ষা জ্ঞানের পদ্ধতিও তাবলীগ জামাতে বিদ্যমান রয়েছে। যাকে বলা হয় আধ্যাত্বীক শিক্ষা।
যখন আপনি কোথাও তাবলীগের সফরে বের হন তখন নিশ্চয়ই আপনার ঘড়ের সামান পত্র সাথে নিয়ে বের হননা ফলে আপনার মধ্যে দুনিয়ার লোভের প্রতি এক উদাসীনতা ও আখেরাতের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। আর জামাতবদ্ধ হওয়ার কারনে অপর সাথী ভাইয়ের সাহায্য সহযোগীতা করার মত যোগ্যতা পয়দা হবে নিজেকে ছোট আর অপরকে নিজের চাইতে শ্রেষ্ট ও বড় মনে করার মত মানসীকতা গড়ে উঠবে। জামাতে অন্যের খিদমত নিজেকে ছোঠ আর অপরকে বড় মনে করার মত আগ্রহ সৃষ্টি হওয়া এত সব কিছুই আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে তাবলীগের বরকতেই হয়ে থাকে।
হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে:
التعظيم الامر الله والشفقة على خلق الله
আল্লাহতায়ালার হুকুম মানারমত যোগ্যতা অন্তরে সৃষ্টি হওয়াএবং অন্তরে মাখলুকের খিদমত করার মত যোগ্যতা সৃষ্টির আগ্রহ পয়দা হওয়া।
এই দুইটি জিনিসকে ঈমান বলা হয়। আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার দ্বারা অন্তরে আল্লাহতায়ালার বড়ত্ব সম্পর্কে জানা ও বুঝা যায় এবং মাখলুকের খিদমত করার মত আগ্রহ অন্তরে সৃষ্টি হয়। যে ব্যক্তি ইখলাছের সাথে আপন জান ও মাল খরচ করে বিভিন্ন দেশে দেশে মানুষের দ্বারে দ্বারে আল্লাহর রাস্তায় বের হয় বাহ্যিক দৃষ্টিতেও এর দ্বারা নিজেকে ছোট ও অপরকে বড় মনে করাই প্রমানীত হয়। যে ব্যক্তি আপন জান ও মাল খরচ করতে কখনো দ্বিধাবোধ করেনা সে কি করে অন্যের খিদমত করা থেকে নিজেকে বিরত রাকতে পারে? বরং আল্লাহর রাস্তায় আপনজান ও মাল খরচ করলে সেচ্ছায় মাখলুকের খিদমত করার মত যোগ্যতা হাছিলের আগ্রহ সৃষ্টি হয়।
