হজ্বের ফযীলত
রাসূলুল্লাহ (সা.) একাধিক হাদিসে হজ্বের ফযীলতের কথা বর্ণনা করেছেন। যেমন-
عَنِ أَبِي هُرَيْرَةَ هُ قَالَ سُئِلَ رَسُولَ اللَّهِ لا أَيُّ الْأَعْمَالِ اَفْضَلُ قَالَ الْإِيْمَانُ بِاللَّهِ وَرَسُوْلِهِ قِيْلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ حَجٌ مَبْرُورٌ .
(متفق عليه)
১। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা নবী (সা.)-কে প্রশ্ন করা হল, সর্বোত্তম আমল কোনটি? উত্তরে তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। প্রশ্ন করা হল অতঃপর কোনটি? জবাব দিলেন আল্লাহর পথে জিহাদ করা। পুনরায় প্রশ্ন করা হল এর পর কোনটি? উত্তর দিলেন, হজ্বে মাবরুর অর্থাৎ মকবুল হজ্ব। (বুখারী ও মুসলিম)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيِّ اللهِ يَقُوْلُ مَنْ حَجَّ لِلَّهِ فَلَمْ يَرْفَتُ وَلَمْ يَفْسُقُ رَجَعَ كَيَوْمٍ وَلَدَتْهُ أُمُةٌ .
(متفق عليه)
২। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্ব করল এর মধ্যে কোন অশ্লীল ও মন্দ কাজ করল না সে এমন নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরল যেমন তাঁর মা তাঁকে নিষ্পাপ অবস্থায় প্রসব করেছিল। (বুখারী ও মুসলিম)
وَعَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ اللهِ الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا وَالْحَجُّ المَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءً إِلَّا الْجَنَّةَ .
(متفق عليه)
৩। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.)
এরশাদ করেছেন, একটি উমরা হজ্ব অপর উমরা হজ্ব পর্যন্ত মধ্যবর্তী সমুদয় গুনাহর জন্য কাফফারা স্বরূপ। আর হজ্বে মাবরুর বা মকবুল হজ্বের প্রতিদান জান্নাত ব্যতীত আর কিছুই না। (বুখারী ও মুসলিম)
৪। হজ্ব পালনরত অবস্থায় হাজী ব্যক্তির প্রতিটি তাসবীহ, তাহলীল ও তাকবীর পাঠের জন্য বিশেষ সুসংবাদপ্রাপ্ত হবে (ইসবাহানী)
৫। "হাজী ব্যক্তি তার পরিবার পরিজনের মধ্য হতে চারশ ব্যক্তির জন্য শাফায়াত করতে পারবেন। হাজী ব্যক্তি হজ্ব পালনের দ্বারা সদ্যপ্রসূত সন্তানের ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে যান"। (বায্যার)
৬। হাজী যখন লাব্বাইকা বলে তখন তার সাথে ডান এবং বাম পার্শ্বে যত পাথর, বৃক্ষ, তরুলতা-মাটি ঢিলা রয়েছে, সবগুলো লাব্বাইকা বলতে থাকে। এমনকি তার সাথে মাটির নিম্ন অংশের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত লাব্বাইকা বলতে থাকে। (তিরমিজী)
