TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

মওলানা দরবেশ আহমদের চিকিৎসা সেবা

মওলানা দরবেশ আহমদ সর্ব প্রথম দাওয়াখানা স্থাপন করেন কলকাতা চিৎপুর রোড়ে। মওলানা মনিরুজ্জামান এছলামাবাদী তাঁকে সহযোগিতা করেন। আস্তে আস্তে তাঁর দাওয়াখানা রাজনৈতিক নেতাদের বৈঠকখানায় পরিনিত হয়। এখানে থেকেই তিনি মৌলবী নঈম উদ্দীন, মুনশী মেহেরুল্লাহ ও মওলানা আকরাম খাঁর সঙ্গে পরিচিত হন।


কলকাতা থেকে মওলানা চলে আসেন বগুড়া এবং সেখানে একটি বড় হাসপাতাল স্থাপন করেন। এবং চিকিৎসা সেবায় খ্যাতি লাভ করেন। দাওয়াখানায় পাশেই তাঁর বন্ধুর সহযোগিতায় একটি স্কুল স্থাপন করেন। চিকিৎসা এবং শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সভা সমাবেশ ওয়াজ করতেন। অল্পদিনের মধ্যে বগুড়ায় হেকিমী চিকিৎসক এবং বক্তা হিসাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।


এরপর মৌলবী নঈম উদ্দীন, করটিয়ার জমিদার হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী ও হাকীম আজমল খাঁর পরামর্শে বগুড়া থেকে টাঙ্গাইল এসে হাসপাতাল স্থাপন করে চিকিৎসা সেবা দান করতে থাকেন। এখানে তিনি একজন সহকারী নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ দান করেন। টাঙ্গাইল এসেই তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। টাঙ্গাইল আসার পরই মওলানা দরবেশ আহমদ অলোয়া গ্রামে এসে বাড়ি করেন। এবং নিজ বাড়িতে বড় একটি হাসপাতাল স্থাপন করেন। তাকে সহযোগিতার জন্য একজন সহকারী নিয়োগ করেন। তাঁকে ঔষধ তৈরি, ঔষধ সংরক্ষণ ও রোগীর সেবা করার প্রশিক্ষণ দান করেন।


মওলানা দরবেশ আহমদ সকল প্রকার রোগীর চিকিৎসা করতেন। সাধারন রোগী ছাড়াও জন্মগত নানা রকম শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী রোগীর ও চিকিৎসা করতেন। তিনি পাগলদের ও চিকিৎসা করে ভালো করতে পারতেন। একবার এক পাগলকে এলাকার লোকে মারধোর করে রাস্তায় ফেলে রেখে ছিল। মানব দরদী মওলানা এ খবর পেয়ে তাকে রাস্ত থেকে তুলে এনে হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিছু দিন চিকিৎসা করে তাকে সুস্থ করেন। তারপর লোকটি বাড়ির ঠিকানা জেনে তার মা বাবাকে খবর দেন তাকে নিয়ে যাবার জন্য। তার মা বাবা সংবাদ পেয়ে খুশি হয়ে নিতে আসে। কিন্তু লোকটি মওলানার চিকিৎসা সেবা যত্নে মুগ্ধ হয়ে মা বাবা ছেড়ে মওলানার কাছে আজীবন থেকে যান। মওলানা তাকে পুত্রের মতোই স্নেহ করতেন।


তার মৃত্যুর পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মওলানা দরবেশ আহমদের কবরের পাশে তার কবর রয়েছে।


মওলানা দরবেশ আহমদের চিকিৎসা সেবার কথা এখনো এ অঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে শোনা যায়।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।