নিজে গিয়ে এ কাজের উপকারীতা দেখা উচিৎ
আত্মশুদ্ধির যে চারটা অংশ ও পদ্ধতি রয়েছে তাবলীগের মধ্যে সৌভাগ্য ক্রমে চারটি পদ্ধতিই একত্রিত হয়ে গেছে যাতে সৎসাহচার্য, জিকির আর ফিকির, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পারস্পরিক ভাতৃত্ববোধ দুশমন থেকে শিক্ষা গ্রহন করা এবং আত্মপর্যালোচনা সবই আছে। আর এই চার প্রকার জিনিষের সমষ্টির নামই হল তাবলীগ জামাত। সাধারন মানুষের আত্মশুদ্ধির জন্য এর চেয়ে সহজও উত্তম পদ্ধতি আর হতে পারেনা। এ পদ্ধতির দ্বারা দ্বীনের সম্প্রসারন চলছে। এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এর আহবান পৌছে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে মানুষের আকীদা শুদ্ধ হচ্ছে। দ্রুত গতিতে মানুষ আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর নিজেরা নিজেদেরকে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবন ঢেলে সাজানোর পরিপূর্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
কমপক্ষে এ বাস্তবতাকে আর তার অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে প্রশ্ন কারীদের ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখা আর চিন্তা করা উচিৎ। এ জন্যে একাজে স্বয়ং নিজে গিয়ে এর উপকারীতা পর্যবেক্ষন করা উচিৎ। এ কাজের দ্বারা যে আপনার কি উপকার হবে তা আপনি এতে অংশ গ্রহন না করলে বুঝতে পারবেন না। আপনি এ বিষয়টিকে অভিজ্ঞতার আলোকে বুঝার চেষ্টা করেন।
যে কোন ব্যক্তিই নেক নিয়তে এ কাজে আসবে তার উপর এর প্রভাব অবশ্যই পরবে। আর এ কাজে দাওয়াত ও আছে, আর সে দাওয়াত হলো কালেমার দাওয়াত-নামাজের মেহেনত ও আছে, সাথী ভাইদের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কউন্নয়ন, জিকির, আবার পর্যলোচনা ও বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অনেক কিছুই শিখার আছে। এটাই মূল কারন যে এ কাজের মাধ্যমে মানুষের মাঝে অনেক প্রশংসনীয় বিষয়াবলী আসতেছে। এমন বহু লোক ছিল যাহারা জামাতের কারনে ভালো হয়ে গেছে ভ্রান্তআকীদায় বিশ্বাসী গন ও সঠিক ও সৎ আকীদা সম্পন্ন হয়ে গেছে।
