TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কার্যাবলী

১. সেলাই যুক্ত কাপড় পরিধান করতে পারবেন না (পুরুষের জন্য) যেমন: পায়জামা, জামা, টুপি, গেঞ্জি, পাগড়ী, আন্ডার ওয়ার, আচকান, মোজা ইত্যাদি পরিধান করতে পারবেন না।


২. যে জুতা পরিধান করলে পায়ের মধ্যবর্তী উঁচু হাড়টি ঢাকা পড়ে যায় তা ব্যবহার করা জায়েয নেই।


৩. ইহরাম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা, স্ত্রীকে চুম্বন করা, কামোদ্দীপনাসহ তাকে স্পর্শ করা জায়েয নেই।


৪. সুগন্ধী ব্যবহার করা, নখ ও চুল কাটা অথবা কাউকে কাটানো মস্তক অথবা মুখ সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে ঢাকা নিষিদ্ধ।


৫. প্রাণী শিকার করা হারাম।

৬. শিকারীকে সাহায্য সহযোগিতা করা। যেমন- তাকে তীর, তরবারী, লাঠি, ছুরি চাকু ইত্যাদি সরবরাহ করা জায়েয নেই।


৭. পাপের কাজ করা হারাম। যথা- মিথ্যা কথা বলা, প্রতারণা করা এবং ধোকা দেয়া।


সঙ্গী-সাথী বা অপর কারো সাথে ঝগড়া-বিবাদ করা


নিষিদ্ধ।


৯. মুখ মণ্ডল ঢাকা যাবে না।


১০. উকুন মারার জন্য কোন কৌশল অবলম্বন করা অথবা মারার প্রতি ইঙ্গিত করা ইত্যাদি কোন কিছুই জায়েয নেই।


১১. চুল, দাড়িতে খেযাব লাগানো জায়েয নেই।


১২. জাফরান অথবা কুসুম ইত্যাদি দ্বারা রঙ্গীন কাপড় ব্যবহার করা জায়েয নেই। অবশ্য ভালভাবে ধৌত করলে যদি খুশবু দূরীভূত হয়ে যায় তাতে ঐ কাপড় পরিধান করা জায়েয হবে।


১৩ সাবান দ্বারা মাথার চুল, দাঁড়ি ইত্যাদি ধৌত করা জায়েয নেই।


১৪. ইহরাম অবস্থায় মাথা চুলকানো জায়েয নেই। যদি বেশী আবশ্যক হয় তবে খুব আস্তে চুলকাবে যাতে চুল উৎপাটিত না হয় এবং উকুন ঝরে না পড়ে।


১৫. তৈল ব্যবহার করা জায়েয নেই।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।