TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

জন্মস্থান ও বংশ পরিচয়

(জন্ম ১৮৫৫-মৃত্যু ১৯৩৮)

মওলানা দরবেশ আহমদের জন্মস্থান তৎকালের মোমেনশাহী জিলার টাঙ্গাইল মহকুমার অন্তর্গত বর্তমান ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে। রামপুর যমুনা বিধৌত একটি গ্রাম, মূলত: চর অঞ্চল। বর্ষাকালে সমস্ত চর ডুবে হয়ে যেত সাগর। আর বর্ষার পানি সরে গেলে জেগে উঠত বালুচর। এখানে মহজনদের দ্বারা উৎখাত হওয়া নিঃস্ব প্রজা ও বহিরাগত কিছু লোক বসবাস করতো। পলি মাটি পড়া বিশাল চরের কোন কোন জায়গায় এক বছর আবাদ হতো আবার পরের বছর বর্ষায় সে চর ভেঙে যেতো। লোকজন অন্য চরে গিয়ে ঘর বাঁধতো।


দরবেশ আহমদের পিতা সাফায়াত উল্লাহ ছিলেন এই চরের একজন অধিবাসী। তাঁর মাতার নাম ছিল খেজুরিয়া বিবি।


মওলানা দরবেশ আহমেদ সম্পর্কে জনশ্রুতি আছে- তাঁর মা বিভিন্ন সময় স্বপ্নে দেখতেন- এক দরবেশ এসে তাঁর মাকে বলতেন, 'তুই বড় ভাগ্যবান'। তোর গর্ভে একজন দরবেশ আছে এবং তাঁর নাম দরবেশ রাখবি। সেইজন্যই জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় দরবেশ আহমেদ।


সাফায়াত উল্লাহর দশ সন্তান। তাঁরা হলেন- ৬ জন পুত্র: ১. ময়েজ উদ্দীন, ২. তফিল উদ্দীন, ৩. রজব আলী, ৪. দরবেশ আহমদ, ৫. আব্বাস উদ্দীন, ৬. নিসার আলী। (নিসার আলী ছোটবেলা মারা যান)। ৪ কন্যা- ১. আদর বিবি, ২. সদর বিবি, ৩. শহর বিবি, ৪. আনা বিবি।

মওলানা দরবেশ আহমেদ শৈশবে তাঁর পিতার কাছে শুনে ছিলেন তাঁর পূর্ব পুরুষেরা শালী লোক। নবাব সিরাজ-উদ্দৌলার পতনের পর তাঁরা পদ্মা নদী পার হয়ে এখানে ছিলেন মুর্শিদাবাদের অধিবাসী। তাঁরা ছিলেন খুব সম্পদশালী এবং প্রভাব-প্রতিপত্তি এসেছিলেন।


Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।