TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

গনতান্ত্রীক যুগে জামাতবদ্ধ তাবলীগের দ্বারা সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম

    অন্যের কাছে দ্বীনকে কিভাবে পৌছানো যায়? যদি তাবলীগের মাধ্যমে দ্বীনকে পৌছানো হয় তাহলে তাবলীগের কি পদ্ধতি হবে বা দাওয়াত কিভাবে কোন তরীকায় দিবেন। যদিও ওলামায়ে কিরামগনই একাজের সার্বিক আজান দিয়ে আসছেন এবং তা ধারাবাহীকভাবে এখনো অব্যহত রয়েছে। যুগসন্ধিক্ষনে বর্তমান যুগের মানুষ যেহেতু গনতন্ত্রমনা তাই কোন জিনিষকে যদি তাদের সামনে জামাতবদ্ধ না হয়ে একক ভাবে উপস্থাপনা করা হয় তখন তারা আলোচ্য বিষয়টিকে উপেক্ষা করে থাকে এবং সেটাকে সহজে মেনে নিতে চায় না।

উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি যখন কোন কথা বলেন তখন মানুষ তার কথা শুনে এ মন্তব্য করে থাকে যে এটাতো কোন ব্যক্তি বিশেষের একটি উক্তি মাত্র। আবার যখন একই কথা দুজনে মিলে বলেন তখন পূর্বের তুলনায় সামান্য গুরুত্ব সহকারে কথাটার মূল্যায়ন করে জিনিষটি মোটামোটি ভাল বলে মন্তব্য করে থাকে আলোচ্য কথাটি যখন জামাতবদ্ধ ভাবে বলা হয় তখন গুরুত্ব সহকারে কথাটির যথাযথ মূল্যায়ন ও করে মেনে নিতেও বাধ্য হয় এবং দলবদ্ধ ভাবে ভূলের উপর ঐক্যমত হবেনা বলে বিশ্বাস করে সম্মিলিত বক্তব্যকে মেনে নেয়া হয়।

মোট কথা ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বিজ্ঞ বিজ্ঞ আলেম দ্বীন প্রচারে নিয়োজীত আছেন। যদি তাহারা দ্বীনের প্রচার প্রসার কাজে নিয়োজীত না থাকতেন তাহলে আজকে হয়তো বা মুসলমানদের কোন অস্তিত্বই থাকতোনা। তাহাদের জান মালের কুরবানী ও অক্লান্ত প্ররিশ্রমের বদৌলতে আজকে আমরা সারা বিশ্বে ৭০ কোটি মুসলমান আছে বলে গৌরববোধ করি। আর এত বড় গৌরবান্নিত হওয়াটা তাহাদের পায়েব জুতার ধুলার বরকতেই সম্ভব হয়েছে। দ্বীনের এই প্রচার ও প্রশারের কাজ আজো নির-বচ্ছিন্ন ভাবে চলছে ভবিষ্যতেও তা দুর্বার গতীতে অব্যাহত থাকবে।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।