TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

দেওবন্দ থেকে আগ্রায়

পাঁচ বছরে দেওবন্দ মাদরাসায় শিক্ষা সমাপ্ত করে উস্তাদদের পরামর্শক্রমে মওলানা দরবেশ আহমদ হেকিমী ও ইউনানী শাস্ত্র অধ্যয়ন করার জন্য আগ্রায় চলে যান ১৮৮০ সালে। শুধু কিতাবি বিদ্যালাভ করলে সমাজে স্বাধীন ভাবে চলা যায় না এবং স্বাধীন ভাবে কথাও বলা যায় না। তাই মানব সেবার সঙ্গে স্বাধীনভাবে রুজি রোজগারের জন্য তিনি হেকিমী ও ইউনানী চিকিৎসা শিক্ষার মনস্থ করলেন। তখন আগ্রা হেকিমী শিক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিল এবং এই শিক্ষা পুরোটাই ছিল একমাত্র মুসলমানদের হাতে।


হেকিম আজমল খাঁ ও হেকিম মওলানা হাবীবুর রহমান খাঁ সে সময়ে হেকিমী চিকিৎসক হিসাবে সারা ভারতে খ্যাতিমান ছিলেন। তাঁদের ছাড়াও সে সময়ে এ দেশের প্রায় প্রত্যক এলাকায় অনেক হেকিমী চিকিৎসক ছিলেন। সমাজে তাঁদের মর্যাদা ছিল অনেক। তাঁরা শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন না, দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা বিভাগে অংশ গ্রহণ করতেন। দেশের সকল উন্নয়ন মূলক কাজেই তাদের হাত ও প্রভাব থাকতো। দরবেশ আহমদ আগ্রায় দুজন বিখ্যাত চিকিৎসকের নিকট হেকিমী ও ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্র অধ্যয়ন করতে থাকেন।


অধ্যয়নের সঙ্গে সঙ্গে উত্তাদদের বক্তৃতা নোট করতেন এবং তাদের কাজ করতেন। দিন রাত পরিশ্রম করে তিনি দুই বছরের মধ্যে প্রভূত অভিজ্ঞতা অর্জন করে উত্তাদের পরামর্শে নিজেই ঔষধ তৈরি ও রোগীর চিকিৎসা শুরু করেন।


হেকিমী চিকিৎসা শিক্ষা লাভ করার পর একদিন তাঁর উদ্ভাদ ডেকে বললেন, দরবেশ,


তুমি যা শিখেছো এখন তোমার চিকিৎসার কাজ চালতে আর কোন অসুবিধা হবে না। তুমি এখন ইচ্ছা করলে দেশে ফিরে গিয়ে কাজ করতে পার। তাঁর প্রধান উস্তাদ একটি প্রশংসা পত্র লিখে হাতে দিলেন ১৮৮৫ সালে।


দরবেশ আহমদ বললেন, হুজুর আমি মক্কা-মদীনা সফর করে দেশে যেতে চাই। সেখান থেকে ফিরে এসে আপনার কাছে থেকে বিদায় নেব। এ বলে তিনি হজ্ব করার উদ্দেশ্য মক্কা চলে গেলেন।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।