আমাদের মুক্তির পথ
সত্যের বাণী অপরের কাছে পৌঁছে দেয়া এবং দ্বীনের প্রচার ও প্রসারের কাজকে অত্যন্ত বিশ্বস্ততা ও সততার সাথে পালন করা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ, আর যে ব্যক্তি আল্লাহর তায়ালার নির্দেশ পালন করে সে তারই আশ্রয়ে এসে যায়। অন্তরে যদি একথা গ্রথিত হয়ে যায় যে, আল্লাহ তায়ালার সাহায্য আমার সাথে রয়েছে, তবে আর কিসের ভয়? সরকারের একজন সামান্য কর্মচারী যখন সে কাজে নিয়োজিত থাকে তখন সে কত সাহসী ও প্রত্যয়ী হয়। আর সকল সাহসীকতা শুধু এজন্যে যে সে একজন সরকারী কর্মচারী যদি কেউ তার উপর হামলা করে বসে, তবে এর পরিণতি এই দাড়ায় যে প্রকৃত পক্ষে সে সরকারের উপরই হামলা করেছে। ঠিক অনুরূপ ধারনা দ্বীনের কাজ করার বেলায় আমাদের অন্তরে হওয়া বাঞ্চণীয়। একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে আমাদের বর্তমান সমাজ ও পারিপার্শ্বিকতা থেকে নিজেদেরকে বাচাতে হলে দ্বীনের উপর ইস্তেকামাত অতি জরুরী। এছাড়া মুক্তির কোন বিকল্প পথ নেই।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে কারীমে ইরশাদ করেন :
والعصران الانسان لفي خسر الا الذين امنوا و عملوا الصلحت و تواصوا بالحق وتواصو بالصور
সময়ের কছম, (আর সময় অতীত থেকে চলে আসছে এবং চলবে। সময় সকল বস্তুর মাঝে বিরজমান। আর বস্তু তার নিজ স্থানে রয়েছে, সময় তার ঘূর্নয়নে সদা মগ্ন। সর্বাধীক পরিসরে সময়ই কেবল বিচরন করে। অনন্তকাল পূর্ব থেকে আছে, আর এর পরিসমাপ্তির কোন আত্বিক ধারনা নেই। কালের প্রসারতা সর্ব বিস্তৃত) সে কালেরই কসম খেয়ে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন। আর এটাও লক্ষণীয় যে কসম সাক্ষীর স্থলাভিষীক্ত হয়, অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা সময়কে সাক্ষী রেখে এরশাদ করেন যে যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে এদের ব্যতিত আর সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ততার মধ্যে রয়েছে।
