বগুড়ায় হাসপাতাল ও স্কুল
বগুড়ায় হাসপাতাল ও স্কুল
বন্ধুর পরামর্শ ভালো লাগলো। কাজের জন্য প্রয়োজন সাহায্যকারী এবং উপযুক্ত পরিবেশ। কিছু দিন পর কলকাতার পাঠ চুকিয়ে দরবেশ আহমদ চলে এলেন বগুড়ায়। এখানে তিনি ভালো পরিবেশ পেলেন। বড় রকমের একটি দাওয়াখানা খুলে বসলেন। দাওয়া খানাটি স্থাপনের কিছুদিন পর একটি হাসপাতালে রূপান্তরিত করলেন। বন্ধুর সহযোগিতায় একটি স্কুল স্থাপন করলেন। অল্প দিনের মধ্যে দরবেশ আহমদ চিকিৎসা সেবা এবং শিক্ষা সেবার মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সভা সমিতিতে বক্তৃতা করা শুরু করেন। হাকীম আজমল খাঁ (১৮৬৩-১৯২৮) ছিলেন বড় ধনাঢ্য সমাজ সেবক। যার আগ্রা থেকে হেকিমী শিক্ষা লাভ
করতেন তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল এবং তাঁদের কেউ দেশের কোথাও হাসপাতাল স্থাপন করতে পারলে তাদেরকে আর্থিক সাহায্য ও সহযোগিতা করতেন।
মওলানা দরবেশ আহমদ হাকীম আজমল খাঁর আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছিলেন।
এ সময়ে মৌলবী নঈম উদ্দীন দরবেশ আহমদকে টাঙ্গাইল চলে আসার আহ্বান জানান। মওলানা বগুড়াতে সাজানো হাসপাতাল ও স্কুল ফেলে যেতে ইতস্তত। করতে থাকেন। এদিকে মৌলবী নঈম উদ্দীন, হাকীম আজমল খাঁ এবং করটিয়ার জমিদার হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নীর সঙ্গে যোগাযোগ করে দরবেশ আহমদকে টাঙ্গাইল নিয়ে যাবার জন্য চিঠি লিখে লোক পাঠিয়ে দেন। দরবেশ আহমদ বগুড়ার হাসপাতাল ও স্কুল পরিচালনার দায়িত্ব বন্ধুর উপর অর্পন করে টাঙ্গাইল চলে আসেন।
