TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

মহিলাদের ইহরাম ও হজ্ব

১. মহিলাদের ইহরাম পুরুষদের ইহরামেরই অনুরূপ। শুধু পার্থক্য এই যে, মহিলাদের জন্য মুখ মণ্ডল খোলা রেখে মাথা ঢেকে রাখা ওয়াজিব। তারা সেলাইকৃত সালোয়ার, কামিছ, উড়না ইত্যাদি পরিধান করতে পারবেন।


২. মহিলাদের জন্য বেগানা পুরুষের সামনে বে-পর্দা হওয়া জায়েয নেই বিধায়, তারা চেহারার সাথে লাগতে না পারে এমন কিছু কাপড় মাথার উপর থেকে ঝুলিয়ে দিবে।


৩. ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য জাফরানী ও কুসুম রঙের কাপড় পরিধান করা জায়েয নেই।


৪. মহিলাগণ ইহরাম অবস্থায় অলংকার এবং মোজা পরিধান করতে পারবেন। তবে মোজা পরিধান না করাই উত্তম।


৫. মহিলাদের জন্য জোরে তালবিয়াহ পাঠ করা নিষিদ্ধ। শুধু নিজে শুনতে পান এমন জোরে পাঠ করবেন।


৬. তাওয়াফের সময় ইজতিবা ও রমল নাই।


৭. সাঈ করার সময় সবুজ বাতি দুইটির মধ্যবর্তী স্থানে দৌড়ে চলা জরুরী নয়।


৮. মহিলাদের জন্য মাথা মুণ্ডন করা নিষিদ্ধ। তবে ইহরাম খোলার পর আঙ্গুলির এক কড়ার চাইতে যেন একটু বেশী করে কাটেন।

৯. মহিলাদের মাসিক অবস্থায় মসজিদে হারামে প্রবেশ, কাবা ঘরের তাওয়াফ ও সাঈ ছাড়া হজ্বের সকল কাজ সম্পাদন করতে পারবেন।


১০. মিনা, আরাফাত, মুযদালিফায় অবস্থান এবং শয়তানকে পাথর মারতে পারবেন।


১১. মাসিক চলাকালীন অবস্থায় গোসল করে হজ্বের ইহরাম বাঁধবেন।


১২. মাসিক থেকে সুস্থ হয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করে দেশে ফিরতে হবে। দম দিলে হবে না।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।