TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

মুসলিম এম-ই-স্কুল

 মুসলিম এম-ই-স্কুল


ক্রমে খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন ভাটা পড়ে এল। শিয়ালকোলের ন্যাশনাল হাইস্কুল ও ভূঞাপুরের হাইস্কুল দুটিই উঠে গেল। মিডল মাদ্রাসা টিকে রইল, কিন্তু দেখা গেল মাদ্রাসা বিভাগের আর ছাত্র জোটে না। অগত্যা ১৯২৮ সালে মাদ্রাসা বিভাগ তুলে দিয়ে মুসলিম এম-ই-স্কুল নামে কেবল স্কুল বিভাগ রেখে দেয়া গেল। ১৯৩৪ সালে ম্যানেজিং কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসাবে টাঙ্গাইলের এস.ডি.ও ভি-এন রাজন স্কুল দেখতে আসেন। উপস্থিন মাতব্বরদের মোকাবিলাতেই কমিটি পুনগঠিত হয়। প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ এই নতুন কমিটি সেক্রেটারী নির্বাচিত হন।


প্রখ্যাত কবি মুফাখখারুল ইসলাম তাঁর 'টাঙ্গাইলে ইসলাম' নামক গ্রন্থে মওলানা দরবেশ আহমদ এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত ভূঞাপুর মাদরাসা সম্পর্কে কিছু ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন।


তিনি লিখেছেন: 'জিগাতলার মৌলভী দরবেশ আহমদ ও তদীয় শরীক ভাতিজা মৌলভী মমতাজ উদ্দীন ভূঞাপুরে এই শতাব্দীর প্রথম দিকে একটি মাদ্রাসা কায়েম করেন। চেংটা মনোয়ারার মরহুম মৌলভী জমির উদ্দীন ও ইসলমী শিক্ষা বিস্তারে তাঁদের সহযোগী হিসাবে মাদ্রাসায় যোগদান করেন। প্রকৃত পক্ষে মওলানা দরবেশ আহমদ এর জন্ম স্থান ছিল রামপুর, জিগাতলা নয়। মওলানা মমতাজ উদ্দীন আহমদ ছিলেন জিগাতলা নিবাসী। মওলানা দরবেশ আহমদ যখন ভূঞাপুর মাদরাসা স্থাপন করেন তখন তিনি অলোয়া গ্রামের স্থায়ী অধিবাসী ছিলেন এবং টাঙ্গাইল স্থাপিত হেকিমী দাওয়াখানার মালিক ও পরিচালক ছিলেন। কবি মুফাখখারুল ইসলাম উক্ত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন- 'বিশ শতকে অধিকাংশ মাদ্রাসা ইংরেজি পড়াবার সুযোগ দিতে গিয়ে মিডল মাদ্রাসায় পরিণত হয়। যেমন ফুলতলা মাদ্রাসা, ভূঞাপুর মাদ্রাসা। এগুলি পরে কিছুদিন মুসলিম এম-ই-স্কুল নামে চলে। অর্থাৎ তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ শ্রেণিতে কিছু কিছু পাঠ্য নিউ স্কিম মাদ্রাসার মত। বাকী পাঠ্য জেনারেল ডিপার্টমেন্টের মত'। মওলানা দরবেশ আহমদ ভূঞাপুরে একটি হাইস্কুল স্থাপনের জন্য এক বিঘা জমি ক্রয় করেছিলেন। কিন্তু নানা কারণে তাঁর সেই হাইস্কুল স্থাপন করতে পারেননি। জীবনের শেষপ্রান্তে এসে অসুস্থ হয়ে পাড়া ছিল তার এক কারণ।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।