TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

মওলানা দরবেশ আহমদের শিক্ষা সম্মেলনে যোগদান

ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ছিলেন করটিয়ার জমিদারদের মধ্যে সবচেয়ে প্রজা-হিতযী ও দেশ প্রেমিক। তাঁর উদ্যোগে ১৯০৬ সালে করটিয়ার মতো একটি পাড়া-গাঁয়ে সারা বাংলা মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা আজ অনেকের কাছেই অজানা। এই সম্মেলন সফল করার জন্য মওলানা দরবেশ আহমদ কয়েক দিন যাবত অনেক পরিশ্রম করেন এবং নেতৃস্থানীয় অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর। এই সম্মেলনে প্রায় ৩০ হাজার লোকের সমাগম হয়েছিল। এর মধ্যে ডেলিগেট ছিল ১৫-২০ হাজার। এই সম্মেলন হয়েছিল সা'দত বাজারের উত্তর দিকে, পোস্ট অফিসের পূর্বে। তখন এখানে কোনো ঘর বাড়ি ছিল না। স্থানটি চতুর্দিকে করগেট টিন দ্বারা বেড়া দেয়া হয়েছিল। স্থানটি সুসজ্জিত করার জন্য নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল।


১. রওশন আলী খান, ২. সৈয়দ আবদুস সামাদ, ৩. সৈয়দ আবদুর রাজ্জাক, ৪. খন্দকার আবদুস সোবহান, ৫. সৈয়দ ফজলার রহমান, ৬. মির্জা রিয়াজ উদ্দীন


আহমদ, ৭. ইসব আলী।


এ ছাড়া পিয়ন ১০ জন, দর্জি ২ জন, মিন্ত্রী ৫ জন, কর্মকার ৪ জন, রাজমিস্ত্রী ৪ জন, মালি ৪ জন, মজুর ১০ জন। বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করে প্যান্ডেলে ওঠার সিঁড়ি গুলো পাকা করা হয়েছিল।


অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে একাধিক গেট তুলা, কাপড়, ফুলপাতা, সজ্জিত করে 'ওয়েল-কাম' লেখা হয়েছিল। অতিথিদের মধ্যে ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর, ধনবাড়ির নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, প্রাদেশিক কমিশনার, ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্টেট এবং ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট, স্থানীয় জমিদারদের মধ্যে দেলদুয়ারের জমিদার, পাকুল্যার জমিদার, ছলিমনগরের জমিদার, টিকরিপাড়ার জমিদার, ফুলতলার জমিদার এবং দেশের সম্ভান্ত হিন্দু মুসলমান ভদ্রলোক উপস্থিত ছিলেন। এতদ্ব্যতীত সর্বসাধারণ বহু লোক যোগদান করেন। কলকাতা ও মাদ্রাজ হতে ১০-১২ জন বাবুর্চি আনা হয়েছিল। এই কনফারেন্স উপলক্ষ্যে লোকজন ২-৩ দিন করটিয়ায় অবস্থান করেছিলেন। সকলের জন্যই পোলাও, কোর্মা, কালিয়া, জদ্দা ইত্যাদি ভূরিভোজনের ব্যবস্থা হয়েছিল।


এ ছাড়া ১৯১০ সালে করটিয়ার জিলা পর্যায়ে মুসলমান শিক্ষা সমিতির বার্ষিক অধিবেশনে ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর উদ্যোগে অনুষ্ঠান হয়েছিল। এই অধিবেশনে ডেলিগেট এবং বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বেশ কিছু সংখ্যক শিক্ষানুরাগী যোগদান করেন। মওলানা দরবেশ আহমদ এ অধিবেশনে শিক্ষার উপর বক্তব্য রাখেন।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।