TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

একটি জিজ্ঞাসা ও তার সমাধান

যদি কেউ সফলতা ও কামিয়াবী চায় তবে তাকে খাটি ঈমানদার হতে হবে। এ সম্পর্কে কুরআনের দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ইরশাদ হয়েছে:

ليس للانسان الاماسعى

অর্থাৎ মানুষকে তার নিজ কর্ম ও প্রচেষ্টাই কাজে আসবে, অন্য কারো প্রচেষ্টা তার জন্য কাজে আসবে না। কিন্তু এর বিপরীত হাদিস শরীফে ইরশাদ হয়েছে যে, যদি কেউ অন্য কারো জন্যে ছাওয়াব পাঠায় তবে সে ছাওয়াব ঐ ব্যক্তির কাছে পৌছে। তার অর্থ এই দাড়ায় যে এক জনের প্রচেষ্টা অন্য জনের জন্য কাজে আসে। এর মাধ্যমে কোরআনও হাদিস এর মাঝে বৈপরিত্য অনুমিত হয়।

মুফতী আজিজুর রহমান সাহেব যিনি একজন খোদাভীরু আলেম ছিলেন, তিনি একবার বর্ণনা করেন যে, আমি তাফসীরে জালালাইন শরীফে কুরআন পাকের এই আয়াত পড়ি এবং হাদিসের কিতাবে ইছালে ছাওয়াব সম্পর্কিত এই হাদিসটি ও দেখি অতঃপর এ দুয়ের মাঝে বৈপরীত্য অনুধাবন করি। এ নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করলাম, কিতাব ঘেটে দেখলাম, কিন্তু কোন ভাবেই এর সমাধান খুজে পেলাম না।

অবশেষে একদিন রাত্রিকালিন ঘুমানোর জন্যে ঘরে গিয়ে শুয়ে পরলাম। আর তখনই দিলের অভ্যন্তরে এ খেয়াল জাগ্রত হলো যে, রাতেই যদি আমার মৃত্যু এসে যায় তাহলে হয়তো হাদিস অস্বীকার করা নয়তো কোরআন অস্বীকার করা অবসম্ভাবী হয়ে পড়বে। আর এ দু অবস্থার কোনটিতেই ঈমান নিরাপদ নয়। কথাটির খেয়াল আসামাত্র বিছানা ছেড়ে উঠে দাড়ালাম, এবং ফকীহুল উম্মাত আরেফে রাব্বানী মাওলানা রশীদ আহমদ গাঙ্গোহী (রহঃ) এর উদ্দেশ্যে গাঙ্গোহ অভিমুখে পদব্রজে যাত্রা করলাম। বাইশ ক্রোশ দুরত্বের পথ সারা রাত সফর শেষে প্রত্যুষে গাঙ্গোতে পৌছালাম। মাওলানা গাঙ্গোহী (রহঃ) তখন বার্ধক্য জনিত কারনে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, এবং দৃষ্টি শক্তি ও রহিত হয়েছিল, আমার উপস্থিতির সময় তিনি অজু করছিলেন।

হযরত আমার আগমনের কারণ জানতে চাইলে আমি অপরাপর ঘটনা বর্ণনা করে উক্ত আয়াত ও হাদিসের মধ্যে বিদ্যমান বিরোধের কথা জানিয়ে এর সমাধানের জন্যই হযরতের দরবারে আমার উপস্থিতির কথা জানালাম। তখন মাওলানা গাঙ্গোহী (রহঃ) বললেন কোরআনের উক্ত আয়াত:

ليس للانسان الاماسعى

এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঈমান। অর্থাৎ যদি কেউ ঈমান না এনে থাকে তাহলে অন্য কারোর ঈমান তার জন্য কোনই কাজে আসবেনা। আর উক্ত হাদিসের দ্বারা উদ্দেশ্য হল আমল। ঈমান অন্যের জন্য বা অন্য কারো উদ্দেশ্যে নিবেদন করা যায়না, কিন্তু আমলের বেলায় তা নিবেদন করা যায়। 

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।