খোদায়ী পুরষ্কার
এটা আল্লাহ প্রদত্ত তাওফীক আর সৌভাগ্য যে আপনার জন্য কাজে অংশ গ্রহন করা আর অন্যের জন্য প্রশ্ন করা এসেছে। এজন্য আপনাদেরকে সর্বদা প্রফুল্ল ও খুশী থাকা উচিৎ যে তিনি আপনাকে কাজে নিয়োজিত রেখে প্রশ্ন উত্থাপন করা থেকে হেফাজত করেছেন। বাকী থাকলো অন্যান্যদের প্রশ্ন উত্থাপন। এর জন্য আপনাদের আমলই হলো তার স্বয়ং জবাব। প্রসিদ্ধ দৃষ্টান্ত রয়েছে যে, একা নিশ্চুপ থাকার ও অধিক হলো আমল করা। এর দ্বারা কোন প্রশ্নই অবশিষ্ট থাকবে না।
************
মাওলানা মরহুম (রহঃ) এর এটা এক আধ্যাতিক বিচক্ষনতা ও অন্তর দৃষ্টি সম্পন্নতা ছিল যে তিনি জামাতগত পদ্ধতি বা দলবদ্ধতার আকৃতি স্থাপন করে একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে আল্লাহর ঘরে সমবেত হবে, কেউ চিল্লা দিবে, কেউ দু চিল্লা দিবে, কেউ দশ দিন, কেউ বিশ দিন, একস্থানে সমবেত হবে। এবার সবাই মিলে একত্রিত হয়ে যখন আল্লাহর জিকির করবে, তখন কি-করে তাদের মধ্যে একজন গাফেল থাকতে পারে, সে তো সেচ্ছায় বা অনিচ্ছায়ই হোক আল্লাহর নাম নিতে বাধ্য হবে-অতএব আমলের রাস্তাতো ঢেলে দিয়েছেন। শুধু তালীম আর তারবিয়্যাতই নয় বরং আমলী ভাবে ও পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং মানুষ যাতে গ্রহন করে এজন্যে দলগত পদ্ধতির আবিষ্কার করা হয়েছে। সাধারনতার একক ভাবে কথা মানুষ অল্পই গ্রহন করে থাকে। জামাতের লোকদের মধ্যে দ্বীন খুব মজবুত ভাবে বসে যায় এ জন্যে এই পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন।
হযরত হাকীমূল ইসলাম (রহঃ)
