TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

তালীম ও তাবলীগের মধ্যে পারস্পরিক কোন পার্থক্য নাই

    আমি মনে করি বর্তমান যুগে তাবলীগ জামাত আমাদের জন্য একটি গৌরবের বস্তু। যদি আমাদের কেউ প্রশ্ন করে যে ভাই তুমি কেন তাবলীগে বের হও না? তখন আমি জবাবে বলবো যে আমাদেরই এক জামাত তাবলীগের কাজে নিয়োজীত আছেন। পার্থক্য শুধু এতটুকু এক জমাত তাবলীগের খিদমত করছেন অপর জামাত তা'লীমের খিদমত করছেন। আর এটা আমলেরই একটা ভিন্নতা। আর আমলের ভিন্নতার দ্বারা দু-ধরনের আমলকে বুঝায় না বরং এটা আমলের দুইটি পদ্ধতি হতে পারে আসলে মৌলীক দিক দিয়ে সবই একও অভিন্ন। দারুল উলুম দেওবন্দের মাদ্রাসায় এক জামাত মাদ্রাসা পরিচালনার কাজে নিয়োজীত। তাহারা কিন্তু ছাত্রদের কোন পাঠদান করেন না। অপর আরেক জামাত আছেন যাহারা শুধুমাত্র ছাত্রদের পাঠ দানে নিয়োজীত। তাহারা মাদ্রাসা পরিচালনার কাজ করেন না। একজামাত হল পরিচালক মন্ডলী অপর জামাত হলো শিক্ষক মন্ডলী। পরিচালক মন্ডলী শিক্ষক মন্ডলীকে শিক্ষাদানে সাহায্য সহযোগীতার কাজে নিয়োজীত। আবার শিক্ষক মন্ডলী পরিচালক মন্ডলীকে মাদ্রাসা পরিচালনার কাজে সহযোগীতা করছেন।

আমি মাওলানা ইলিয়াছ (রহঃ) এর জবানে এই মূল্যবান বানী শ্রবন করেছি যে-ভাই, আমি তাবলীগের এই ছিলছিলা এই জন্যই চালু করেছি যে শিক্ষকদের জন্য ছাত্র মিলে আর মাশায়েখের জন্য মুরীদ মিলে। আর এই জন্যই এই ছিলছিলা চালু করেছি যাহাতে ইলম ও প্রচার হয় তার সাথে সাথে আখলাক ও পরিশুদ্ধ হয়।

মরহুম মাওলানা ইলিয়াছ (রহঃ) যখন এই কাজ প্রাথমিক ভাবে চালু করলেন তখন তিনি ছয়মাস অন্তর অন্তর দিল্লীতে অবস্থান করতেন। কিছুদিন দারুল উলুম দেওবন্দে, আবার কিছুদিন মাযাহেরে উলুমেও অবস্থান করতেন। তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলেন যে ভাই আমিতো এই পর্যন্ত চেষ্টা করেছি এখন আপনারা আমাকে পরামর্শ দিন আমি আর কি করতে পারি? অথচ তিনি ভাল করেই জানেন যে দাওয়াত ও তাবলীগের এই পদ্ধতী তার চিন্তা ও গবেষনারই ফসল। নিজেকে ছোট মনে করে তাওয়াজু এখতিয়ার করে এ কাজের ব্যপারে অন্যের পরামর্শ চাইতেন।

তিনি কখনো আমাদের নিকট পরামর্শ চাইলে উত্তরে বলতাম হযরত আপনি হলেন আমাদের রাহবার। আর রাহবার হয়ে আমাদের কাছে পরামর্শ চাইতেছেন? আসলে আমাদের সাথে ওনার এহেন আচরন তার সততা, ইখলাছ, তাওয়াজু ইত্যাদি গুনের অধিকারী হওয়ারই বহিপ্রকাশ-তিনি নিজে কিছু করেছেন বলে দাবী করার মত মানসীকতা পরিহার করে বরং অন্যের কাজের প্রতি সমর্থন করে নিজেকে অহংকার মুক্ত রেখেছেন। ছোটদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতেও লজ্জা বোধ করতেননা। তিনি উচ্চমানের অধিকারী ছিলেন।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।