TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

হজ্জ্ব ফরয হওয়ার দলীল

হজ্ব একটি ফরয ইবাদত। এর ফরয হওয়া কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা দ্বারা প্রমাণিত।

আল-কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:


وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعُلَمِينَ .


অর্থ : মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ আছে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সে ঘরের হজ্ব করা তার উপর ফরয; এবং কেউ প্রত্যাখ্যান করলে সে জেনে রাখুক আল্লাহ বিশ্বজগতের মুখাপেক্ষী নন।


(সূরা আলে-ইমরান, আয়াত-৯৭)


হজ্ব সম্পর্কিত পবিত্র কুরআনের আয়াতসমূহ:


সূরা আল-বাকারা: ১৫৮, ১৮৯, ১৯৬-২০০।


সূরা আলে-ইমরান: ৯৬,৯৭।


সূরা হজ্ব: ২৬, ২৭।


হাদীসের মাধ্যমে :


বহু হাদীসে হজ্ব ফরয হওয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে।


যেমন-


عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ خَطَبَنَا رَسُوْلُ اللَّهِ لا فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ قَدْ فَرَضَ عَلَيْكُمُ الْحَجَّ فَحَجُّوا - (رواه مسلم)


অর্থ : "হযরত আবু সাঈদ (রা) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা.) আমাদের সম্মুখে ভাষণ দিতে গিয়ে বললেন, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর হজ্ব ফরয করেছেন। সুতরাং তোমরা অবশ্যই হজ্ব পালন করবে। (মুসলিম)


হজ্বের তাকীদ :


হজ্ব ফরয হওয়ার পর যথাশীঘ্র তা সম্পন্ন করা কর্তব্য। আদৌ বিলম্ব করা উচিত না। হাদীসে এসেছে-


الله عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ لا مَنْ أَرَادَ


الْحَجَّ فَلْيَتَعَجَّلُ ۔ (ابو داؤد)


অর্থ : হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হজ্ব সমাপন করার ইচ্ছা রাখে সে যেন তা যথাশীঘ্র আদায় করে নেয়। (আবু দাউদ)

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।