TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

জেহাদে কাবীর

সাধারণ ভাবে একথাটি মৌলিক অধিকার ও চেতনার বিপরীত অনুভূত হয় যে, আঘাত আসবে আবার দুঃখ কষ্টও সহ্য করতে হবে। অথচ মুখে টু শব্দপর্যন্ত করা যাবে না বাহ্যিক ভাবে এর কোন রহস্য বুঝে আসে না। তবে এর অর্থ হল এই যে তার জবাব আরো বলিষ্ঠ, আর কার্যকরী ভাষায় দেয়া হবে। অর্থাৎ যদি তরবারী দ্বারা শরীরে আঘাত করা হয় তবে কথার দ্বারা তার অন্তরে আঘাত এনে এর জবাব দেওয়া হবে। আচার আচরনের দ্বারা দ্বীনের কথা পৌঁছিয়ে কষ্ট দেয়া হবে।

জনৈক আরবী কবি তার কাব্যে একথাটি কত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন:

جراحات السنان لها التيام - ولا يلتام ماجرح اللسان

অর্থাৎ : বর্শার আঘাতের চিহ্নতো এক সময় মুছে যায়, কিন্তু কথার আঘাতের চিহ্ন সবর্দা থেকে যায়, এ ক্ষত কখনো মুছে না। অতএব মুখের দ্বারা আঘাতের জেহাদ হলো বড় জেহাদ। এটাকে জেহাদে কাবীর বলা হয়। কেননা যে জেহাদ তরবারী বা অস্ত্রের দ্বারা সংঘটিত হয় তাতো ক্ষনিকের জন্য। এর কষ্ট ও সামান্য সময়ের জন্যেই। কিন্তু দ্বীনের দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে যে সীমাহীন দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে হয় তা ক্ষণিকের জন্য নয়। তাই এটা বড় জেহাদ। কারণ :

এ কাজে প্রতি মুহুর্তেই দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে হয়। আর প্রতিক্ষনেই জীবন উৎসর্গ করতে হয়। একবার হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপস্থিত সাহাবাদের জিজ্ঞাসা করলেন বলতো বীর কে? সাহাবা গণ জবাব দিলেন, যে শত্রুর উপর আঘাত করে তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। জবাব শুনে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, না সে বাহাদুর নয় বরং বীর ঐ ব্যক্তি যে আপন নফসের সাথে জেহাদ করে নফসকে সংযত করতে সক্ষম হয়।

দাওয়াতের এ কাজ হলো জেহাদে কাবীর কারণ এ কাজ করতে গিয়ে দাইকে অনেক ঠাট্টা বিদ্রুপ আর গালিগালাজ শুনতে হয়। বিপদাপদের সম্মুখীন হতে হয় আর দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে হয়। অন্য দিকে যুদ্ধ ক্ষেত্রের অবস্থা হলো এর সম্পূর্ণ বিপরীত। মানুষ লড়াইয়ে লিপ্ত হয়ে হয়তো নিজের প্রাণ এ খানেই বিসর্জন দিয়ে দেয় নয়তো অন্যের প্রাণ বিনাশ করে দেয়।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।