TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

এক নজরে উমরাহ পালনের নিয়ম

যে নিয়মে হজ্জের ইহরাম বাঁধতে হয় সে নিয়মে উমরার জন্য ইহরাম বাঁধবে। তবে ইহরামের দুই রাকআত নামায আদায়


করার পর উমরার জন্য নিয়ত করবে, এবং আরবীতে নিয়ত করলে এভাবে নিয়ত করবে।


اللَّهُمَّ إِنِّي أُرِيدُ الْعُمْرَةَ فَيَسِّرُهَا لِي وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي .


উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদুল উমরাতা ফাইয়াস সিরহা লী ওয়াতাক্বাব্বালহা মিন্নী।


অর্থ : হে আল্লাহ! আমি উমরা পালনের নিয়ত করলাম, আমার জন্য উমরাকে সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষে তা কবুল করে নিন।


ইহ্রাম বাঁধার পর যে সকল কাজ ইহ্রাম অবস্থায় নিষিদ্ধ থাকবে। বেশি বেশি করে তালবিয়া পাঠ এগুলো থেকে দূরে করবে, প্রত্যেক উঁচুস্থানে উঠতে, নিচের দিকে অবতরণ করতে, কারো সাথে সাক্ষাৎ হলে, শেষ রাতে প্রতি নামাযের পর তালবিয়া পাঠ করবে। যখনই তালবিয়া পাঠ আরম্ভ করবে কমপক্ষে তিনবার পাঠ করবে। (শামী ২য় খণ্ড)


তালবিয়া উচ্চস্বরে পাঠ করবে। সফরে বেশি বেশি দরূদ পাঠ করবে। জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করবে। উমরার জন্য হজ্বের মতো সকল আদব-কায়দার প্রতি লক্ষ্য রেখে মক্কা-মুকাররমায় প্রবেশ করবে। তারপর বাবুস্ সালামের পথে মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে। কারো মতে বাবুল উমরার পথে প্রবেশ করবে।


এতদ্ব্যতীত নিজের প্রয়োজনীয় ও পছন্দনীয় বস্তুর জন্য বেশি বেশি দু'আ করবে। কেননা এ সময় দু'আ কবুল হয়। তারপর রমল ও ইজতিবা সহকারে তাওয়াফ করবে। তাওয়াফ হাজরে আসওয়াদ থেকে আরম্ভ করবে।


রমলের পদ্ধতি। তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে বীরের মতো বুক ফুলিয়ে, কাঁধ দুলিয়ে, ঘন ঘন কদম ফেলে, ঈসৎ দ্রুতগতিতে চলা।


ইজতিবার পদ্ধতি: তাওয়াফের অবস্থায় চাদরের ডান


অংশকে ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধের উপর রাখা। সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদে চুমু দিবে। যদি সম্ভব না হয় তবে দূর থেকে ইশারা করাই যথেষ্ট


হাজরে আসওয়াদে চুমু খাওয়ার সাথে সাথে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিবে। সম্ভব হলে মুলতাযাম অর্থাৎ বায়তুল্লাহ্র দরজা ও হাজরে আস্তয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে স্বীয় বুক ও চেহারা লাগিয়ে দু'আ করবে।


অধিক পরিমাণে যমযমের পানি পান করা, পান করা কিছু পানি মাথায় ও শরীরে দেওয়া এবং এ সময় দু'আ করা মুস্তাহাব।


তাওয়াফ শেষে তাওয়াফের দুই রাকআত নামায আদায় করবে।


তারপর হাজরে আসওয়াদে চুমু দিয়ে কিংবা ইশারা করে বাবুস্


সাফার পথে বের হয়ে প্রথমে সাফা এরপর মারওয়ায় সাঈ করা, সাঈর সময় সবুজ স্তম্ভদ্বয়ের মাঝখানে দৌড়িয়ে চলা।


সাফা পাহাড়ে এতটুকু উপরে উঠবে যাতে সেখান থেকে কা'বা ঘর দেখা যায়। কা'বা ঘর নযরে পড়লে সেদিকে ফিরে হাত উঠিয়ে তাব্বীর )اللهُ أَكْبَرُ( "আল্লাহু আকবার”, তাহলীল )لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ( “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু”, তাহমীদ )الْحَمْدُ لِلَّهِ( "আল্-হামদুলিল্লাহ্” ইত্যাদি পড়বে। তারপর হাতের তালু আকাশের দিকে করে আল্লাহ্র কাছে দু'আ করবে। মারওয়ার সাঈর পর মাতাফের প্রান্তে এসে দুই রাকআত নাযাম আদায় করবে। তারপর মাথামুণ্ডন সম্পন্ন করে হালাল হয়ে যাবে।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।