TjT

করনা প্রতিরোধে হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ্ করা থেকে বিরত থাকুন। অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের তালুতে নিয়ে ( 20 সেকেন্ড ) ভাল করে পরিষ্কার করুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ডাস্টবিনে ফেলুন। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন।

মুজাহিদ বাহিনী গঠন

 মুজাহিদ বাহিনী গঠন


মওলানা দরবেশ আহমদ বুঝেছিলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ইসলাম প্রচার, সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার দূর করা বড় কঠিন কাজ, একা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। এ সব কাজ করার জন্য সাহায্যকারী লোকের প্রয়োজন। এ জন্য চারপাশের গ্রাম থেকে কিছু সংখ্যক বাছাই করা যুবকদের নিয়ে তিনি একটি দল গঠন করেছিলেন। তারা ছিলেন অনুগত ভক্ত ও সংগঠিত। তারা মওলানাকে ছায়ার মতো অনুসরণ করতেন। তিনি যখন তাদেরকে যা নির্দেশ দিতেন তা পালন করতেন। এ দলের সদস্যরা ছিলেন মুজাহিদ এবং দলের নাম ছিল 'মুজাহিদ' বাহিনী।


মওলানা যেখানে সভা-সম্মেলন করতেন, মুজাহিদ বাহিনীর সদস্যরা তাঁর সঙ্গে থাকতেন। মওলানা যে সভায় যে সব প্রস্তাব করতেন, মুজাহিদ বাহিনীর সদস্যরা তা আগে আগে সমর্থন করতেন। এই মুজাহিদ বাহিনীর সদস্যদের কয়েকজন ছিলেন- মওলানা আবদুল আজিজ খান, পাছতেরিল্যা নিবাসী মওলানা কাজিম উদ্দীন, জিগাতলা নিবাসী মওলানা মমতাজ উদ্দীন আহমদ, আহমদ হাতেম আলী মাস্টার (আসাম প্রদেশের এক সময়ের পুলিশ ইন্সপেক্টর) এবং আরো অনেকে। আকালু নিবাসী মওলানা আহমদ আলী ও বেলায়েত হোসেন এই বাহিনীর সদস্য ছিলেন।


এই মুজাহিদ বাহিনীর সদস্যদেরকে কেই কেউ মওলানার ভক্ত শিষ্য মনে করতেন।


সত্যি বলতে কি তাঁরা মওলানার ভক্ত শিষ্যই ছিলেন। কিন্তু একালের পীরের শিষ্যদের মতো সেলামি দেয়া ও পদ চুম্বনকারী ছিলেন না।

Powered by Blogger.

আসুন করনা সম্পর্কে সচেতন হই সুস্থ থাকি ।