দাওয়াখানা স্থাপন
দাওয়াখানা স্থাপন
ইতোপূর্বে টাঙ্গাইল শহরে কোনো হেকিমী দাওয়াখানা ছিল না। এখানে এ দাওয়াখানা নতুন। অল্প দিনের মধ্যে দাওয়াখানার কথা এবং হেকিম মওলানা দরবেশ আহমদের সুখ্যাতি শুধু শহরে নয়, শহরের বাইরে গ্রাম অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লে রোগীরা আসতে লাগলো। ঔষধ তৈরি, বিক্রয় এবং কাজের সহযোগিতা করার জন্য নঈম উদ্দীন বিশ্বাস বেতকা থেকে একজন তরুণ সহযোগি নিয়োগ করে দিয়ে ছিলেন। দাওয়াখানায় যত রোগী আসতো তার চেয়ে বেশি সাধারন মানুষের সমাগম হতো। নানা বয়সের নানা পেশার লোক। বর্তমানে চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে যেমন রাজনীতি ও সমাজনীতির নানা রকম কথা আলোচনা হয়, সে সময়ে মওলানার দাওয়াখানা তেমনি নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার আড্ডাখানা পরিনত হয়ে উঠেছিল। আস্তে আন্তে কলকাতা, দেওবন্দ, দিল্লি, আগ্রার খবর সহ সারা হিন্দুস্থানের রাজনৈতিক খবর এসে পৌঁছতে লাগলো মওলানার দাওয়াখানায়।
আর মওলানার দেখা ও জানা দিল্লি, আগ্রা, দেওবন্দ, কলকাতার অভিজ্ঞতার আলোচনা গুলো সকলের দারুণ উপভোগের বিষয় হয়ে ওঠতো। অনেক শ্রোতা মওলানার অভিজ্ঞতার আলোচনা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। অল্প দিনের মধ্যে হেকিম মওলানা দরবেশ আহমদ টাঙ্গাইলে সুপরিচিত হয়ে উঠলেন।
